কলকাতা টাইমস নিউজ ডেস্ক :
২০২৩ সালের ধর্ষণের মামলায় অভিযুক্ত অপূর্ব রুই দাসকে ২২ বছরের কারাদণ্ডের সাজা ঘোষণা করলেন ঝাড়গ্রাম আদালতের এডিজি-২ মহামান্য বিচারক।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০২৩ সালে এক আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে সেখানকার এক তরুণীকে জোর করে ধর্ষণ করে অভিযুক্ত। ঘটনার পর ভয় দেখিয়ে তাঁকে চুপ থাকতে বাধ্য করা হয়। লোকলজ্জার ভয়ে ভুক্তভোগী প্রথমে কাউকে কিছু জানাননি। কিন্তু পরবর্তীতে তিনি গর্ভবতী হয়ে পড়লে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।
পরিবার ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে ভুক্তভোগীকে গর্ভপাত করানোর জন্য একটি বেসরকারি নার্সিং হোমে নিয়ে যায়। কিন্তু সেখানেই তাঁর শারীরিক অবস্থা সংকটজনক হয়ে পড়ে। পরে তাঁকে ঝাড়গ্রাম জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতাল থেকে চিকিৎসার পাশাপাশি ২৬ মার্চ ২০২৩ সালে ঝাড়গ্রাম মহিলা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়।
মামলার তদন্ত শেষে ১২ নভেম্বর ২০২৩ সালে ঝাড়গ্রাম থানা চার্জশিট দাখিল করে। এরপর ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ সালে চার্জ গঠন করা হয় এবং ৮ জুলাই ২০২৪ থেকে মামলার শুনানি শুরু হয়।
অবশেষে সমস্ত তথ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা করে আদালত অভিযুক্ত অপূর্ব রুই দাসকে দোষী সাব্যস্ত করে ২২ বছরের কঠোর কারাদণ্ডের নির্দেশ দেন।




