কলকাতা টাইমস নিউজ :নিজস্ব সংবাদদাতা :কলকাতা , ১১ সেপ্টেম্বর :
শারদোৎসবের আনন্দের মধ্যেও বাড়ছে স্বাস্থ্য দফতরের চিন্তা। ডেঙ্গি, ম্যালেরিয়া-সহ মশাবাহিত রোগ রুখতে কলকাতা পুরসভা কড়া বার্তা দিল শহরের পুজো উদ্যোক্তাদের। চিঠি পাঠিয়ে পুরসভার স্বাস্থ্য দফতর জানিয়েছে— পুজো মণ্ডপে ও তার আশপাশে কোনওভাবেই জল জমতে দেওয়া যাবে না এবং প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময় অন্তর মশা মারার কীটনাশক স্প্রে করতে হবে।
পুরসভার এক আধিকারিক জানান, সেপ্টেম্বরের শেষ থেকে ডিসেম্বরের শুরু পর্যন্ত সময়টিই ডেঙ্গি ও ম্যালেরিয়ার প্রকোপ বাড়ার জন্য সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ। প্রতি বছরই পুজোর পর সংক্রমণ বেড়ে যায়। সেই কারণে এ বছর আগে থেকেই সতর্কতা নিতে চাইছে পুরসভা। উদ্যোক্তাদের চিঠি দিয়ে জানানো হয়েছে, সময়মতো ব্যবস্থা নিলে মশাবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব।
উদ্যোক্তাদের দায়িত্বে
-
পুজোর দিনগুলিতে প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময় অন্তর মণ্ডপে কীটনাশক স্প্রে করতে হবে।
-
প্যান্ডেলের চারপাশে যথাযথ নিকাশির ব্যবস্থা রাখতে হবে, যাতে বৃষ্টির জল জমতে না পারে।
-
বালির বস্তা মজুত রাখতে হবে, প্রয়োজনে জলে ভরা অংশ ঢেকে দেওয়ার জন্য।
-
খোলা পাত্রে জল না রেখে, সব পাত্র ঢাকনা দিয়ে রাখতে হবে।
-
মণ্ডপের ভিতর ও আশপাশে পরিত্যক্ত মাটির ভাঁড়, কাপ, থালা, বাটি বা অন্যান্য জিনিস জমিয়ে রাখা যাবে না।
একইসাথে পুরসভার নির্দেশে বিশেষভাবে বলা হয়েছে, প্যান্ডেলের বাঁশের মাথায় বৃষ্টির জল জমে যায়। তা বন্ধ করতে বাঁশের ফাঁপা অংশ বালি দিয়ে ভরতে হবে বা কাপড় দিয়ে মুখ বন্ধ করতে হবে। মণ্ডপ খোলার সময় বাঁশ সোজা করে না রেখে কাত করে রাখতে হবে, যাতে জলের সঞ্চয় না হয়।
পুজো উদ্যোক্তাদের উদ্দেশে পুরসভার স্বাস্থ্য দফতরের আবেদন— উৎসবের আনন্দের সঙ্গে সঙ্গে নাগরিক দায়িত্বও পালন করতে হবে। সামান্য অবহেলা বড় বিপদ ডেকে আনতে পারে। তাই প্রতিটি প্যান্ডেলে সতর্কতা অবলম্বন করাই একমাত্র সমাধান।




