spot_img
19 C
Kolkata
Wednesday, January 14, 2026
spot_img

কলকাতায় দ্বিতীয় ধাপা: পুরসভার উদ্যোগে চিহ্নিত হল নতুন জমি !

কলকাতা টাইমস নিউজ  :নিজস্ব সংবাদদাতা :কলকাতা , ১২ সেপ্টেম্বর  :

 হরের প্রতিদিনের বাড়তে থাকা বর্জ্য সমস্যার সমাধান খুঁজতে অবশেষে বড় পদক্ষেপ নিল কলকাতা পুরসভা। দীর্ঘদিনের পরিকল্পনার পর দ্বিতীয় ধাপা ডাম্পিং গ্রাউন্ড তৈরির জন্য জমি চিহ্নিত করার কাজ শেষ হয়েছে। পুরসভা সূত্রে খবর, নতুন ডাম্পিং গ্রাউন্ডের জন্য প্রায় ১০ একর জমি নির্দিষ্ট করা হয়েছে।

ধাপার বর্তমান ভাগাড় থেকে খানিকটা দূরেই নতুন জমি নির্দিষ্ট হয়েছে। এ জমি আগে থেকেই পুরসভার মালিকানাধীন ছিল। বহু বছর ধরে সেখানে স্থানীয় কৃষকেরা চাষবাস করছিলেন। পুরসভার তরফে জানানো হয়েছে, তাঁদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

মেয়র পারিষদ (জঞ্জাল অপসারণ) দেবব্রত মজুমদার জানান—
“নতুন জমি পুরোপুরি পুরসভার অধীনেই ছিল। কৃষকেরা ব্যবহার করতেন। তাঁদের প্রতিটি পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে।”

উল্লেখ কলকাতা শহরে প্রতিদিন প্রায় ৪৫০০ টন বর্জ্য উৎপাদন হয়। এত বিপুল পরিমাণ আবর্জনা প্রতিদিন ধাপা ডাম্পিং গ্রাউন্ডেই নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু ধাপা ইতিমধ্যেই বিপদসীমার কাছাকাছি পৌঁছে গেছে—এই আশঙ্কা একাধিকবার প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

হাওড়ার বেলগাছিয়া ভাগাড়ে ধস নামার ঘটনার পরে ধাপা নিয়েও পুরসভার উদ্বেগ অনেকটাই বেড়েছিল।pashapashi

পাশাপাশি ধাপা ডাম্পিং গ্রাউন্ডকে বিপদমুক্ত করতে ২০২৪–২৫ অর্থবর্ষে প্রায় ১৫ লক্ষ মেট্রিক টন বর্জ্যের জৈব খনন (বায়ো-মাইনিং) করা হয়েছিল। কিন্তু তাতেও পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনা যায়নি। বর্জ্যের চাপ এতটাই বেশি যে ধাপা এখন কার্যত ‘সঙ্কটজনক’ অবস্থায় রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরেই বিকল্প জমি খুঁজছিল পুরসভা। অবশেষে সেই কাজ শেষ হয়েছে। পুরসভার এক আধিকারিক জানিয়েছেন –
“জমি চিহ্নিতকরণের কাজ ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। এবার খুব দ্রুতই প্রকল্পের কাজ শুরু করা হবে।”

যদিও পুরসভার পরিকল্পনায় যে বিষয়গুলি প্রাথমিক ভাবে ছিল :

  • বর্তমান ধাপা ডাম্পিং গ্রাউন্ডে অতিরিক্ত বর্জ্যের চাপ।

  • দুর্ঘটনার আশঙ্কা ক্রমশ বাড়ছে।

  • শহরের বাড়তি বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য নতুন অবকাঠামোর প্রয়োজন।

নতুন ধাপা তৈরি হলে শহরের আবর্জনা ব্যবস্থাপনা অনেকটাই স্বস্তি পাবে বলে মনে করছেন পুরসভার আধিকারিকরা। তবে পরিবেশবিদরা বলছেন, শুধু নতুন ডাম্পিং গ্রাউন্ড বানালেই সমস্যার সমাধান হবে না। প্রয়োজন আধুনিক বর্জ্য প্রক্রিয়াকরণ প্রকল্প, রিসাইক্লিং ব্যবস্থা এবং নাগরিকদের সচেতনতা।

 

Related Articles

Stay Connected

0FansLike
0FollowersFollow
22,800SubscribersSubscribe
- Advertisement -spot_img

Latest Articles

Enable Notifications Thank You No thanks