কলকাতা টাইমস নিউজ :নিজস্ব সংবাদদাতা :কলকাতা ,২৩ সেপ্টেম্বর :
১৭৭০ সাল। ব্রিটিশদের নির্মম অত্যাচারে জর্জরিত গোটা ভারতবর্ষ। সেই প্রেক্ষাপটে বাংলায় সংঘটিত হয়েছিল সন্ন্যাসী বিদ্রোহ,
নেতৃত্বে ভবানী পাঠক। পরবর্তীতে দেবী চৌধুরানীও ভবানী পাঠকের শিষ্যত্ব গ্রহন করে এই লড়াইয়ে সামিল হন। সন্ন্যাসী বিদ্রোহের প্রেক্ষাপটে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচনা করেন আনন্দমঠ উপন্যাস।
এবার আনন্দমঠ উপন্যাসের সেই চরিত্ররাই জীবন্ত হয়ে উঠবে রুপালি পর্দায়। ২৬ সেপ্টেম্বর মুক্তি পেতে চলেছে বাংলা সিনেমা দেবী চৌধুরানী। ভবানী পাঠকের চরিত্রে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, এবং দেবী চৌধুরানীর চরিত্রে শ্রাবন্তী।
বিগত দিনে বাংলা সিনেমায় দেবী চৌধুরানীকে নিয়ে সিনেমা হলেও সন্ন্যাসী বিদ্রোহের মূল হোতা ভবানী পাঠকের চরিত্রটিকে সেভাবে তুলে হয় নি। তার উপর সেই চরিত্রে অভিনয় করেছেন সকলের প্রিয় বুম্বা দা, তাই মুক্তির দিন যত এগিয়ে আসছে বাংলা সিনেমা প্রেমীদের উত্তেজনার পারদ চড়ছে।
এদিকে তারা শহরের সেই উত্তেজনা আরও দ্বিগুণ হয়ে উঠছে যখন একেবারে ভক্তদের কাছাকাছি পৌঁছে যাচ্ছেন প্রসেনজিৎ, দেবী চৌধুরানী পুরো টিম নিয়ে। রবিবার দেবী চৌধুরানী টিম পৌঁছে যায় কেন্দুয়া শান্তি সংঘ পুজো মণ্ডপে। জয় ভৈরবী যাত্রার মধ্য দিয়ে তখন সেখানে এক উৎসবের আমেজ। পালকি, ছৌ নাচ, মশাল, নিয়ে এক বর্ণাঢ্য শোভা যাত্রার মধ্য দিয়ে বাংলার চিরায়ত ঐতিহ্যকে তুলে ধরা হয়।
দেবী পক্ষের সূচনায় এ যেন সত্যি দেবী আবাহন এর এক অভিনব রূপ। শোভাযাত্রায় হাঁটলেন প্রসেনজিৎ ,শ্রাবন্তী ও দেবী চৌধুরানী কলাকুশলীরা। সম্ভবতই বুম্বা তাকে এত কাছে পেয়ে খুশিতে মাতোয়ারা প্রসেনজিৎ ভক্তরা।
বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির জন্য নিবেদিত প্রাণ প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। পুজোর আগে সিনেমার কলাকুশলী এবং সাংবাদিকদের কথাও ভুলিনি তিনি। দেবী চৌধুরানীর পুরো টিম নিয়ে শনিবার তিনি হাজির হয়ে যান কলকাতার একটি নামজাদা রেস্তোরায়। সেখানেই সকলের জন্য ছিল মহা ভোজের আয়োজন। নিজে দাঁড়িয়ে থেকে সকলের খাওয়ার তদারকিও করেন তিনি।
এক কথায় প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের তত্ত্বাবধানে দেবীপক্ষের সূচনায় জয়যাত্রা শুরু দেবী চৌধুরানীর। যা এবারের দুর্গোৎসবকে এনে দিয়েছে এক অন্য মাত্রা।




