কলকাতা টাইমস নিউজ :নিজস্ব সংবাদদাতা :কলকাতা :১১ নভেম্বর
CLICK WATCH HERE 👆
ভিড়ে ঠাসা নন্দন https://youtu.be/7qYh6nU_VXMচত্বর। চারদিকে আলো, ক্যামেরা, দর্শকের ভিড়, আর সেই ভিড়ের মাঝেই হঠাৎ দেখা গেল পরিচিত এক মুখ— অভিনেত্রী দেবলীনা। হাতে এক কাপ কফি, মুখে মিষ্টি হাসি। ব্যস্ততার মাঝেও যেন একটু নিঃশ্বাস নেওয়ার জায়গা খুঁজে নিতে এসেছেন তিনি ৩১তম কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে (KIFF 2025)।
চলচ্চিত্র উৎসবের মাটিতে দেবলীনার উপস্থিতি নতুন নয়। সিনেমার প্রতি তাঁর ভালোবাসা এতটাই গভীর যে, কাজের ফাঁক পেলেই ছুটে আসেন নন্দনে। কলকাতা টাইমস নিউজ-কে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে দেবলীনা জানালেন,
“এটাই আমার নিজের শহরের উৎসব। এখানে এলে এক অন্যরকম ভালো লাগা কাজ করে। যতই ব্যস্ত থাকি না কেন, কিছুটা সময় বার করেই সিনেমা দেখতে আসি।”
দেবলীনার চোখে কলকাতা চলচ্চিত্র উৎসব
তিনি আরও বললেন—
“এই উৎসব শুধু সিনেমা দেখার জায়গা নয়, এটা এক মিলনমেলা। এখানে আমরা সবাই একসাথে সিনেমা, শিল্প আর ভাবনার জগতে ডুবে যাই। এটা আমার কাছে একরকম থেরাপির মতো।”
নন্দন চত্বরে তখন দর্শকের ঢল। এক কোণে কেউ পোস্টার তুলছে, কেউ পরিচালককে প্রশ্ন করছে, কেউ বা লাইনে দাঁড়িয়ে প্রিয় ছবির টিকিটের অপেক্ষায়। সেই ভিড়ের মাঝেই দেবলীনা সাধারণ দর্শকদের মতো বসে সিনেমা দেখছেন— কোনও বিশেষ আচরণ নয়, কোনও বাড়তি প্রটোকল নয়।
দর্শকেরা যখন তাঁকে চিনে ফেললেন, তখন হাসিমুখেই সবাইকে অভিবাদন জানালেন অভিনেত্রী। বললেন,
“আমিও আপনাদের মতোই সিনেমা দেখতে এসেছি। আমার কাছে ভালো সিনেমাই সবচেয়ে বড় তারকা।”
কলকাতা শহর মানেই সিনেমা, আর সেই সিনেমার প্রাণকেন্দ্র নন্দন। দেবলীনার মতে, “এ শহরে সিনেমা শুধু পর্দার জিনিস নয়, এটা আমাদের সংস্কৃতি, আমাদের অনুভূতি।”
উৎসবের বিভিন্ন হল ঘুরে তিনি দেখে নিচ্ছেন তাঁর প্রিয় পরিচালকদের কাজ— ভারত, ইউরোপ, লাতিন আমেরিকা— সব দেশেরই ছবির প্রতি তাঁর আগ্রহ।
“বিশ্বের নানা প্রান্তের পরিচালকরা তাঁদের সংস্কৃতি, সমাজ আর মানসিকতার কথা ছবির মাধ্যমে তুলে ধরেন। আমি সেই ভিন্ন ভিন্ন জগৎ দেখতে ভালোবাসি।”
উৎসবের চত্বর ছেড়ে যাওয়ার আগে দেবলীনা কলকাতা টাইমস নিউজ-কে বলেন,
“ভালো সিনেমা দেখলে মন হালকা হয়ে যায়। আমরা যারা সিনেমা করি, তারাও নতুন করে অনুপ্রেরণা পাই।”
দর্শক আর শিল্পীর এই মেলবন্ধনই বোধহয় কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের সবচেয়ে বড় সাফল্য।




