কলকাতা টাইমস নিউজ :নিজস্ব সংবাদদাতা :কলকাতা :১৫ নভেম্বর
সল্টলেকের ব্যবসায়ী স্বপন কামিলা (৪৮)–এর অপহরণ ও খুনের রহস্য আরও জটিল হচ্ছে। তদন্তের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে উঠে আসছে নতুন তথ্য, নতুন সংযোগ। ইতিমধ্যেই তিনজন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে বিধাননগর কমিশনারেটের গোয়েন্দা বিভাগ— রাজু ঢালি, তুফান থাপা এবং সজল সরকার। তবে তদন্তকারীদের দাবি, এই অপরাধে যুক্ত থাকতে পারে মোট ছ’জন। ফলে এখনও ধরাছোঁয়ার বাইরে বাকি তিন জন।
সূত্রের খবর, তিন অভিযুক্তকে পৃথকভাবে জেরা করে সাজানো হচ্ছে ঘটনার সম্পূর্ণ টাইমলাইন।
জিজ্ঞাসাবাদের পাশাপাশি পুলিশ খতিয়ে দেখছে—
-
সিসিটিভি ফুটেজ
-
মোবাইল ফোনের কল রেকর্ড (সিডিআর)
-
ডিজিটাল প্রমাণ
-
দেহ লোপাটে ব্যবহৃত গাড়ির গতিবিধি
তদন্ত সংশ্লিষ্ট এক কর্তা জানান, “প্রতিটি মিনিটের হিসেব জোড়া হচ্ছে। খুব শিগগিরই ধৃতদের নিয়ে ঘটনার পুনর্নির্মাণ করা হবে।”
পুলিশের দাবি, ব্যবসায়ী খুনের পর দেহ লোপাটে ব্যবহার করা হয় তৃণমূল নেতা সজল সরকারের গাড়ি।
তবে কার নির্দেশে এই কাজ হয়েছিল, তা এখনও পুরোপুরি স্পষ্ট নয়।
ধৃতদের মধ্যে—
-
রাজু ঢালি — জলপাইগুড়ির রাজগঞ্জের বিডিও প্রশান্ত বর্মনের ঘনিষ্ঠ গাড়ি চালক
-
তুফান থাপা — পেশায় ঠিকাদার
-
সজল সরকার — কোচবিহারের স্থানীয় তৃণমূল নেতা
তিনজনের পরস্পরের ভূমিকা ও যোগাযোগ গভীরভাবে খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
তদন্তকারীদের অনুমান, খুন–অপহরণের ঘটনায় মোট ছ’জন জড়িত।
গ্রেপ্তার: ৩ জন
অজ্ঞাত: ৩ জন
বাকি তিনজনের পরিচয় ও ভূমিকা নিয়ে এখনই মুখ খুলতে নারাজ পুলিশ। তবে সূত্রের দাবি, তদন্ত অনেকটাই এগিয়েছে।
স্বপন কামিলার পরিবারের সদস্যরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন—
“যারা খুন করেছে তাদের কেউ যেন পার না পায়। যতই প্রভাবশালী হোক, পুলিশকে সকলকে গ্রেপ্তার করতে হবে।”
গোয়েন্দারা জানিয়েছেন, তদন্ত একদম সঠিক দিকেই এগোচ্ছে এবং খুব দ্রুত আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসবে।




