spot_img
17 C
Kolkata
Tuesday, January 20, 2026
spot_img

কুডানকুলম পারমাণবিক কেন্দ্রে পৌঁছল রাশিয়ার প্রথম দফা নিউক্লিয়ার জ্বালানি !

কলকাতা টাইমস নিউজ  :নিজস্ব সংবাদদাতা :কলকাতা :০৫ ডিসেম্বর

পুতিনের ভারত সফরের মাঝেই বড় অগ্রগতি—তৃতীয় রিয়্যাক্টরের ‘ইনিশিয়াল লোডিং’-এর জন্য এলো বিশেষ জ্বালানি

রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের দু’দিনের ভারত সফরের সময়ই তামিলনাড়ুর কুডানকুলম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে পৌঁছল রাশিয়া থেকে পাঠানো প্রথম কনসাইনমেন্ট নিউক্লিয়ার ফুয়েল। রাশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত নিউক্লিয়ার কর্পোরেশন রসআটম (Rosatom) বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে জানায়, বিশেষ কার্গো ফ্লাইটে এই জ্বালানি ভারতে এসে পৌঁছেছে।

রসআটমের নিউক্লিয়ার ফুয়েল বিভাগের পরিচালিত ওই কার্গো বিমানটি নোভোসিবিরস্ক কেমিক্যাল কনসেন্ট্রেটস প্ল্যান্টে তৈরি ফুয়েল অ্যাসেম্বলি বহন করে। এগুলি মূলত কুডানকুলম প্রকল্পের তৃতীয় ও চতুর্থ VVER-1000 রিয়্যাক্টর-এর জন্য।

২০২4 সালে স্বাক্ষরিত চুক্তি অনুযায়ী এই জ্বালানি সরবরাহ শুরু হয়েছে। পুরো পরিষেবা মেয়াদ জুড়েই যাতে দুই রিয়্যাক্টরের জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত থাকে, সেই লক্ষ্যেই দীর্ঘমেয়াদি এই জ্বালানি চুক্তি করা হয়।

রসআটমের দাবি, আগামী দিনে মোট সাতটি বিমানবাহী চালানে পুরো রিয়্যাক্টর কোরের জ্বালানি ও রিজ়ার্ভ ফুয়েল পাঠানো হবে। বৃহস্পতিবার আসা কনসাইনমেন্টটি তৃতীয় রিয়্যাক্টরের ইনিশিয়াল লোডিং-এর জন্য প্রথম ব্যাচ।

কুডানকুলম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি ভারতের বৃহত্তম নিউক্লিয়ার প্রকল্পগুলির মধ্যে একটি। এখানে মোট ৬টি VVER-1000 রিয়্যাক্টর তৈরি হওয়ার কথা, যার সম্মিলিত উৎপাদন ক্ষমতা ৬,০০০ মেগাওয়াট।

  • প্রথম রিয়্যাক্টর চালু: ২০১৩

  • দ্বিতীয় রিয়্যাক্টর চালু: ২০১৬

  • বাকি চারটি রিয়্যাক্টর বর্তমানে নির্মীয়মাণ

রসআটম জানিয়েছে, কুডানকুলম প্রকল্পের প্রথম দফার দুই রিয়্যাক্টর চালুর পর ভারতীয় ও রুশ প্রকৌশলীরা একসঙ্গে কাজ করে উন্নতমানের ফুয়েল ও দীর্ঘমেয়াদি ফুয়েল চক্র ব্যবহার করে প্ল্যান্টের দক্ষতা বাড়িয়েছেন।

ঠিক সেই সময়ই এই ডেলিভারি এল, যখন দিল্লিতে ভারত-রাশিয়া ২৩তম বার্ষিক শীর্ষ সম্মেলনের প্রস্তুতি চলছে। রাশিয়া-ভারত জ্বালানি সহযোগিতা ও পারমাণবিক শক্তি বিনিয়োগ দীর্ঘদিনের। এই নতুন ফুয়েল ডেলিভারি দুই দেশের কৌশলগত সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করবে বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

রাশিয়ার এই পদক্ষেপ ভারতের দক্ষিণে শক্তি উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি দেশের নিউক্লিয়ার এনার্জি নিরাপত্তাকেও আরও শক্তিশালী করবে।

Related Articles

Stay Connected

0FansLike
0FollowersFollow
22,800SubscribersSubscribe
- Advertisement -spot_img

Latest Articles

Enable Notifications Thank You No thanks