কলকাতা টাইমস নিউজ : নিউজ ডেস্ক : কলকাতা :০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
বাংলাদেশের আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ যখন চরমে, ঠিক সেই সময় বড়সড় বিতর্ক উসকে দিলেন সজীব ওয়াজেদ জয়।
ভার্চুয়াল বক্তব্যে সরাসরি ভোট বয়কটের ডাক দিয়ে তিনি দাবি করলেন— “এটা নির্বাচন নয়, এটা সিলেকশন।”
সোমবার কলকাতায় Indian Council for Cultural Relations (আইসিসিআর)-এর সত্যজিৎ রায় অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় ভার্চুয়াল মাধ্যমে যোগ দিয়ে এই মন্তব্য করেন তিনি। অনুষ্ঠানের বিষয় ছিল ‘ইনশাল্লাহ বাংলাদেশ’ বইকে কেন্দ্র করে আলোচনা।
জয়ের বক্তব্যে উঠে আসে নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে একাধিক প্রশ্ন।
তিনি বলেন,“পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে গায়ের জোরে ভোট সংখ্যা বাড়ানো হচ্ছে। কত কোটি অতিরিক্ত ব্যালট পাঠানো হয়েছে, সেটা কেউ জানে না। তাই এটা কোনও গণতান্ত্রিক নির্বাচন নয়।”
তার দাবি, পুরো প্রক্রিয়াই পূর্বনির্ধারিত।
-
Bangladesh Nationalist Party (বিএনপি) পেতে পারে প্রায় ১৫০-র কাছাকাছি আসন
-
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী (জামাত) পেতে পারে ১২০–১৩০ আসন
-
যাতে কোনও দল একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পায় এবং “দুর্বল সরকার” তৈরি হয়
দেশের সাধারণ মানুষকে উদ্দেশ্য করে জয় বলেন— “আপনারা ভাবছেন ভোট দিলে সমস্যার সমাধান হবে। কিন্তু বাস্তবে জামাতই বকলমে সরকারে আছে। ভোট দিলে শুধু এই সাজানো নির্বাচনকে বৈধতা দেওয়া হবে।”
তিনি আরও অনুরোধ করেন, “দেশকে বাঁচাতে হলে কেউ ভোট দিতে যাবেন না।”
তার এই মন্তব্য ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে তীব্র আলোড়ন ফেলেছে।
এই অনুষ্ঠানে মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন রাজনৈতিক ও বুদ্ধিজীবী মহলের প্রতিনিধিরা। আলোচনায় অংশ নেন স্বপন দাশগুপ্ত-সহ একাধিক বক্তা।
সকলেই বাংলাদেশে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন এবং ভারত–বাংলাদেশ সুসম্পর্কের পক্ষে মত দেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, প্রবাস থেকে জয়ের এই বক্তব্য শুধু একটি মতামত নয়, বরং তা বাংলাদেশের নির্বাচনী আবহে বিরোধী শক্তির এক ধরনের কৌশলগত বার্তা।
ভোট বয়কটের ডাক কতটা প্রভাব ফেলবে, তা সময়ই বলবে। তবে স্পষ্ট— বাংলাদেশের নির্বাচনকে ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলেও নজর বাড়ছে।




