spot_img
25.7 C
Kolkata
Friday, March 6, 2026
spot_img

গোলপার্কে রাতের তাণ্ডবের রেশ কাটেনি! আরও দুই গ্রেফতার, সংখ্যা বেড়ে ১৯ — ‘মাথা’রা ধরাছোঁয়ার বাইরে, জালে শাগরেদেরা !

কলকাতা টাইমস নিউজ  : নিউজ ডেস্ক  : কলকাতা :০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ক্ষিণ কলকাতার শান্ত পাড়া আচমকাই পরিণত হয়েছিল রণক্ষেত্রে। বোমার শব্দ, গুলির আওয়াজ, দৌড়ঝাঁপ— আতঙ্কে ঘরবন্দি হয়ে পড়েছিলেন বাসিন্দারা।
আর সেই গোলপার্ক–এর গন্ডগোলের ঘটনায় পুলিশি অভিযানে ফের সাফল্য— গ্রেফতার আরও দু’জন।

এ নিয়ে রবিবার রাতের হিংসা, বোমাবাজি ও গুলি চলার ঘটনায় মোট গ্রেফতার সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১৯। তবে এখনও অধরাই দুই গোষ্ঠীর মূল ‘মাথা’রা। পুলিশের জালে ধরা পড়ছে শুধু শাগরেদরা।

পুলিশ সূত্রে খবর, রবিবার রাত সাড়ে ৮টা নাগাদ পঞ্চাননতলা এলাকায় একটি ক্লাবের পিকনিক চলছিল। আচমকাই দুই গোষ্ঠীর মধ্যে কথা কাটাকাটি থেকে শুরু হয় মারামারি। মুহূর্তে তা রূপ নেয় সংঘর্ষে। ইট-বোমা ছোড়াছুড়ি,দফায় দফায় গুলি,রাস্তায় তাণ্ডব ,আতঙ্কে দোকানপাট বন্ধ করে দেন ব্যবসায়ীরা, সাধারণ মানুষ ছুটে যান বাড়ির ভিতরে।

অন্যদিকে স্থানীয়দের দাবি, দুই গোষ্ঠী হল— বিশ্বজিৎ পোদ্দার ওরফে ‘সোনা পাপ্পু’-র দল ও স্থানীয় ব্যবসায়ী বাপি হালদারের অনুগামীরা। 

একইসাথে এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই এলাকায় দাপট দেখাচ্ছিল সোনা পাপ্পুর দলবল। যদিও তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় লাইভ করে দাবি করেছেন, ঘটনার সময় তিনি বাড়িতেই ছিলেন।

অন্যদিকে ঘটনার পর থেকেই টানা তল্লাশি চালাচ্ছে কলকাতা পুলিশরবীন্দ্র সরোবর থানা

গ্রেফতারের টাইমলাইন — রবিবার রাত: ১০ জন,সোমবার: ৪ জন ,মঙ্গলবার বিকেল: ৩ জন ,মঙ্গলবার রাত: আরও ২ জন। সর্বশেষ ধৃতদের নাম —রাকেশ বণিক,রাজীব দাস ওরফে সোনু, দু’জনেই পঞ্চাননতলা রোডের বাসিন্দা।

অপরদিকে পুলিশ সূত্রে ইঙ্গিত—মূল অভিযুক্তরা এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে। তাঁদের খোঁজে একাধিক জায়গায় রেইড চলছে।সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে, স্থানীয় সূত্র থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

পাশাপসী এলাকার এক বাসিন্দার কথায়—“এভাবে বোমা-গুলি চলবে ভাবতেই পারিনি। বাচ্চারা ভয় পেয়েছে। রাতে ঘুমোতে পারিনি।” ব্যবসায়ীরাও নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন।

এদিকে পুলিশের দাবি— পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে, এলাকায় টহলদারি বাড়ানো হয়েছে এবং  দ্রুত মূল অভিযুক্তদের ধরা হবে। তবে প্রশ্ন উঠছে—শাগরেদদের গ্রেফতার হলেও ‘মাথা’রা কবে ধরা পড়বে ?গোলপার্কের বাসিন্দাদের এখন একটাই দাবি— স্থায়ী শান্তি ও নিরাপত্তা।

Related Articles

Stay Connected

0FansLike
0FollowersFollow
22,800SubscribersSubscribe
- Advertisement -spot_img

Latest Articles

Enable Notifications Thank You No thanks