spot_img
25.7 C
Kolkata
Friday, March 6, 2026
spot_img

ভোররাতে মর্মান্তিক ট্র্যাজেডি! ৯ তলা থেকে ঝাঁপ দিয়ে প্রাণ হারাল তিন নাবালিকা বোন, স্তব্ধ গাজিয়াবাদ !

কলকাতা টাইমস নিউজ  : নিউজ ডেস্ক  : কলকাতা :০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

কই পরিবারের তিন কিশোরী। একই ছাদের তলায় বড় হওয়া। আর কয়েক সেকেন্ডের ব্যবধানে তিনজনেরই জীবন থেমে গেল ! উত্তরপ্রদেশের উত্তরপ্রদেশ–এর গাজিয়াবাদে গভীর রাতে ঘটে গেল হৃদয়বিদারক ঘটনা। আবাসনের ৯ তলা থেকে ঝাঁপ দিয়ে মৃত্যু হল তিন বোনের। ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় শোক ও চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে,মঙ্গলবার গভীর রাত প্রায় ২টা ১৫ মিনিট নাগাদ আচমকাই চিৎকার শুনতে পান স্থানীয় বাসিন্দারা। আবাসনের নীচে পড়ে থাকতে দেখা যায় তিন কিশোরীকে।

ঘটনাস্থল ছিল লোণি এলাকার তিলা মোড় থানা চত্বরের অন্তর্গত ভারত সিটি আবাসন।

খবর পেয়ে দ্রুত পৌঁছয় পুলিশ ও অ্যাম্বুল্যান্স।

পুলিশ জানিয়েছে, মৃত তিন বোনের নাম— নিশিকা (১৬) , প্রাচি (১৪) ,পাখি (১২) তাঁরা চেতন কুমারের কন্যা। পরিবারটি ওই আবাসনেই বসবাস করত। তড়িঘড়ি তাঁদের স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও চিকিৎসকেরা তিনজনকেই মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার তদন্তে নেমেছে তিলা মোড় থানা–এর পুলিশ। সহকারী পুলিশ কমিশনার অতুল কুমার সিং জানান— “পুলিশ রেসপন্স ভেহিকলে খবর আসে তিন কিশোরী ৯ তলা থেকে ঝাঁপ দিয়েছে। ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেখা যায় তারা গুরুতর আহত। হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত ঘোষণা করা হয়। মৃত্যুর কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”

এটাই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন ,কেন এমন সিদ্ধান্ত ।প্রাথমিক ভাবে— আত্মহত্যা নাকি দুর্ঘটনা ? মানসিক চাপ ? নাকি অনলাইন গেমের প্রভাব?

স্থানীয় মহলে গুঞ্জন, তারা নাকি একটি ‘টাস্ক-ভিত্তিক অনলাইন গেম’-এ জড়িত ছিল। যদিও এ নিয়ে এখনও নিশ্চিত কিছু জানায়নি পুলিশ। মোবাইল ফোন, চ্যাট হিস্ট্রি, সোশ্যাল মিডিয়া— সব কিছু খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

প্রতিবেশীদের কথায়—“ওরা খুব শান্ত স্বভাবের ছিল। একসঙ্গে খেলত, পড়াশোনা করত। এমনটা যে হবে ভাবতেই পারিনি।” পরিবারও শোকে স্তব্ধ। কেউ কথা বলার অবস্থায় নেই।

এই ঘটনা ফের প্রশ্ন তুলছে— কিশোর-কিশোরীদের মানসিক স্বাস্থ্য ,অনলাইন গেম ও ডিজিটাল প্রভাব এবং  পরিবারে নজরদারি

যদিও বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বয়সে শিশুদের মানসিক অবস্থা বোঝা ও নিয়মিত কথা বলা অত্যন্ত জরুরি।

অন্যদিকে পুলিশ জানিয়েছে— ফরেন্সিক টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে ,সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং পরিবারের সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে । চূড়ান্ত রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছনো যাচ্ছে না।তবে তিন কিশোরীর একসঙ্গে এভাবে চলে যাওয়া গোটা শহরকে স্তব্ধ করে দিয়েছে।

Related Articles

Stay Connected

0FansLike
0FollowersFollow
22,800SubscribersSubscribe
- Advertisement -spot_img

Latest Articles

Enable Notifications Thank You No thanks